মেসির পায়ে ভর করে সেমিতে বার্সেলোনা

মেসির পায়ে ভর করে সেমিতে বার্সেলোনা।

আজ থেকে ঠিক ২০ বছর আগে বায়ার্ন মিউনিখকে হারিয়ে ইউরোপ সেরা হওয়ার পথে ম্যানইউয়ের হয়ে জয়সূচক গোলটি এসেছিল ওলে গুনার সুলশারের পা থেকে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে ওই মৌসুমে ত্রিমুকুট জিতেছিল রেড ডেভিলসরা। বিশ বছর বাদে ক্লাবের কোচ হয়ে এসে যদিও চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জয়ের বেশ কিছুটা দূরেই থমকে যেতে হল সুলশারকে।

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের দ্বিতীয় লেগের ম্যাচে মঙ্গলবার ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছে স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা। তিনটি গোলের মধ্যে লিওনেল মেসি ২টি ও ফিলিপে কুতিনহো ১টি করে গোল করেন। প্রথম লেগের ম্যাচে বার্সেলোনা ১-০ গোলে জয় পেয়েছিল। সুতরাং, দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে উঠে গেল কাতালানরা। আর কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে বিদায় নিশ্চিত হলো তিনবারের ইউরোপ সেরা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।

ম্যাচের প্রথমার্ধে মধ্যমণি লিওনেল মেসির জোড়া গোলেই ২০১৪-১৫ মৌসুমের পর কোয়ার্টারের বৈতরণী পেরোনো কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় কাতালান ক্লাবের। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে বার্সার সেমিতে যোগ্যতা অর্জনে অবদান রাখেন কুতিনহো।

যদিও এদিন ম্যাচের প্রথম মিনিটে ম্যানইউ স্ট্রাইকার মার্কাস রা‍শফোর্ডের শট বার কাঁপিয়ে চলে যায়। এরপর বার্সার বিরুদ্ধে একটি পেনাল্টির নির্দেশ দিয়েও ভিএআরের সাহায্য নিয়ে তা বাতিল করেন রেফারি। ১৬তম মিনিটে একক দক্ষতায় গোল করে বার্সাকে ম্যাচে প্রথমবারের জন্য এগিয়ে দেন লিওনেল মেসি। ২০তম মিনিটে ডি গিয়াকে পরাস্থ করে ইংলিশ ক্লাবটির বিরুদ্ধে নিজের ২৪তম গোলটি তুলে নেনে আর্জেন্টাইন সুপারস্টার। ওখানেই কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায় বার্সার শেষ চার।

দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ আরও দখলে নিয়ে নেয় পাঁচবারের ইউরোপ সেরা বার্সেলোনা। ৬১তম মিনিটে বক্সের টপ কর্নার থেকে দুরন্ত গোলে ম্যাচে প্রতিপক্ষের ফিরে আসার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেন ব্রাজিল তারকা কুতিনহো। এরপর ম্যাচের বাকি সময়টা আর কোনো পক্ষ গোল করতে না পারায় ৩-০ গোলে জয় নিশ্চিত হয় বার্সার। একই সঙ্গে দুই লেগ মিলিয়ে ৪-০ ব্যবধানে জিতে ২০১৪-১৫ মৌসুমের পর ফের ইউরোপ সেরার টুর্নামেন্টে শেষ চার নিশ্চিত করল কাতালান ক্লাবটি।